পানীয় জল এবং সীমিত আকারে সবজি চাষ এর জন্য পাতকুয়া নির্মাণ:
বাংলাদেশের মৃত্তিকা অঞ্চলগুলোর মধ্যে বরেন্দ্র অঞ্চল একটা বিশেষ মৃত্তিকা অঞ্চল। অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় এ অঞ্চলে ভূ-গর্ভের পানির স্তর মোটেই সমুদ্ধ নয়। ঠাঁ ঠাঁ বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর এতই অনুন্নত যে তা গভীর নলকূপ বা অগভীর নলকূপ দ্বারা উত্তোলন সম্ভব হয় না, তবে এসব এলাকায় পাতকূয়া খনন করলে কুয়ায় পানি জমে। কুয়ায় জমা পানি উত্তোলন করে খাবার পানি ও গৃহস্থালিক কাজে ব্যবহারসহ কম সেচ লাগে এরূপ ফসল চাষ করা সম্ভব। সন্তোষজনক পানি পাওয়ার জন্য প্রায় ছেচল্লিশ ইঞ্চি ব্যাসের একশো বিশ/ত্রিশ ফুট গভীর পর্যন্ত খনন করা প্রয়োজন হয়।উক্ত এলাকায় আদিবাসী লোকজন এরুপ পাতকুয়া তৈরী করতে অসমর্থ হওয়ায় তারা খুব কষ্টে জীবন ধারণ করে এবং তাদের জমিতে কোন ফসল ফলাতে পারে না।বিষয়টি উপলব্ধি করে বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় কৃষি মন্ত্রী, মতিয়া চৌধুরী এম পি’র পরামর্শে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ঠাঁ ঠাঁ বরেন্দ্র এলাকায় পাতকুয়া খনন কার্যক্রম শুরু করে। কুয়ার অনেক নীচে থেকে প্রচলিত পদ্ধতিতে দড়ি বালতি ব্যবহার করে পানি উত্তোলন করা বেশ কষ্ট সাধ্য। উক্ত অসুবিধা দুর করার জন্য সোলার প্যানেল ব্যবহার করে পানি উত্তোলন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সোলার প্যানেলগুলি প্রচলিত লম্বা সারিতে ব্যবহার না করে মাননীয় মন্ত্রীর পরামর্শে কিছুটা ফানেল আকৃতি করে স্থাপন করা হয়, যাতে বৃষ্টির পানি জমে কুয়ায় পতিত হয়। এটা মাননীয় মন্ত্রীর একটি বিশেষ উদ্ধাবন। পাতকুয়ার জমা হওয়া পানি সাবমারসিবল সোলার পাম্প ব্যবহার করে কুয়ার উপর স্থাপিত ট্যাংকীতে জমা করা হয়। ট্যাংকীতে জমাকৃত পানি পিভিসি পাইপ লাইনের মাধ্যমে পাতকুয়ার নিকট স্থাপিত ট্যাপ হতে জনসাধারন পান করা ও গৃহস্থালির কাজের জন্য সংগ্রহ করে এবং চাষযোগ্য জমিতে পাইপ লাইন নির্মান ও বিভিন্ন স্থানে ফসেট/আউটলেট স্থাপন করে ফসেট/আউটলেট থেকে সরাসরি ও ফিতা পাইপের মাধ্যমে সেচের পানি ব্যবহার করা হয়। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক খননকৃত ছয়টি পাতকুয়ার কার্যক্রম বর্তমানে সোলার পাম্পের সাহায্যে পরিচালনা করা হচ্ছে। উপকারভোগী লোকজন পাতকুয়ার পানি খাবার পানি হিসাবে পান ও গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার করা ছাড়াও কম সেচ লাগে এমন ফসল যেমনঃ আলু, পটল, পিয়াজ, মরিচ, রসুন, পূইশাক, মিষ্টি কুমড়া, চাল কুমড়া, শসা, বেগুন, সিম, লাউ, ছোলা ও মসুর ইত্যাদি চাষ করে লাভবান হচ্ছে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষিত হচ্ছে এবং খুব সামান্য পানি লাগে এরূপ ফসল উৎপাদন করার ফলে পানির মিতব্যয়ী ব্যবহার হচ্ছে যা পরিবেশের কোন ক্ষতি করছে না। ইতিমধ্যে গত ৭ আগষ্ট ২০১৬ তারিখে “বরেন্দ্র এলাকায় পাতকুয়া খননের মাধ্যমে স্বল্প সেচের ফসল উৎপাদন” শীর্ষক একটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পটির প্রধান উদ্যেশ্যঃ পাতকুয়া খননের মাধ্যমে সংরক্ষিত পানি দ্বারা স্বল্প সেচের ফসল উৎপাদন ও খাবার পানিসহ গৃহস্থালি কাজে পানি সরবরাহ। উক্ত প্রকল্পের আওতায় রাজশাহী বিভাগের ঠাঁ ঠাঁ বরেন্দ্র এলাকা চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার ৩টি (চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর, গোমস্তাপুর ও নাচোল) এবং নওগাঁ জেলার ৬টি (নিয়ামতপুর, মহাদেবপুর, পত্নীতলা, ধামুইরহাট, সাপাহার ও পোরশা) মোট ৯টি উপজেলায় ৪৫০টি পাতকুয়া খনন করে ১৩৫০ হেক্টর জমিতে স্বল্প সেচের ফসল উৎপাদনসহ ৩৩৭৫০ জন জনসাধারণকে খাবার ও গৃহস্থালির কাজে পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
Dr. M Asaduzzaman started his career as an Irrigation Engineer and ended as a Social Engineer. He retired from the position Of Executive Director, Barind Multipurpose Development Authority (BMDA) in 2007. Mr. Zaman graduated in Engineering with a major in Irrigation and Water Management in 1972. Also did a Bachelor Of Law (LLB) and Ph.D in Agricultural Science. He attended the Executive Education Course at Harvard Business School, USA on Strategic Perspective for Non-Profit Management. Dr. Zaman engaged in consultancy works with the World Bank, CIDA, DFID, and ADB.
He has published over fifty technical papers and books, mostly on groundwater, wells, irrigation management, and cost recovery. He is a member of many national and international professional organizations that including the following:-
Professional Membership
Lifetime Fellow Member, International Society for Development and Sustainability (ISDS), Japan
Advisor Abroad, Arab Healthy Water Association, Cairo-Egypt
Member of International Water History Association, IWHA, USA / Finland
Member of "Association of Groundwater Scientists & Engineers" U.S.A.
Member of “International Water Resource Association" U.S.A.
Member of the Board of Governors, Bangladesh Institute of Technology.
Members of the Bangladesh Agriculturist (Krishibid) Association, Dhaka
Executive member of Bangladesh Society for Agricultural Engineers
Member, Global Water Partnership
Member, Board of Directors of -Tropical Forest Conservation (Aranayak) Foundation.
He has successfully developed a special technology for Tubewell Design called "Inverted Well" where the very shah thickness of the aquifer is available. He, with his highly skilled professional team members, has proved how a desert-like area (Barind) could be converted into a granary in Bangladesh against many preconceived negative ideas for tubewell irrigation. He introduced an appropriate irrigation cost recovery system using “Pre-paid meters and Smart cards in irrigation wells. He has proved that irrigation projects can be operated on a semi-financed basis.
The Barind Model of Irrigation in Bangladesh is appreciated very much for its appropriateness and the Government has decided to replicate this model for the whole of the country gradually and recently, the Asian Development Bank (ADB) strategically looking to replicate this irrigation Model in Bangladesh and beyond like Nepal and India.
01.
Name (English)
Dr. M. Asaduzzaman
02.
Name (Bangla)
ড. এম. আসাদুজ্জামান
03.
Date of Birth
1st November 1949
04.
Address
Godagari, Rajshahi, Bangladesh.
05.
Religion
Islam
06.
Education
2007- Executive Education Strategic Management of Non-Profit Organization, Harvard Business School.
1998- Ph. D. in Agricultural Science, Pacific Western University California, USA
1983- Bachelor of Law, University of Rajshahi, Bangladesh
1972- Bachelor of Engineering in Irrigation and Water Management, Agricultural University, Bangladesh
07.
Other Training
Human Resource Management, Durham Technical Community College, Durham, NC, USA.
Computer Skills for Office Professional, Durham Technical Community College, Durham, NC, USA
Strategic Perspectives in Non-Profit Management, Harvard Business School, MA, USA.
Irrigation Management for Rice-Based Farming System, International Irrigation Management Institute (IIMI)l, Colombo, Sri Lanka.
Fundamentals and applications of Supervisory Control and Data acquisition (SCADA) in irrigation sector, Texas A&M, AgriLife Research, Texas, USA
Mathematical Modelling of Ground Water System, Institute of Flood Control and Drainage Research, Bangladesh University of Engineering & Technology in association with Bangladesh Agricultural Research Council, Dhaka, Bangladesh.
08.
Job Experience
2002-2006 – Executive Director, BMDA, Rajshahi.
1992-1996 – Executive Director, BMDA, Rajshahi.
North East Minor Irrigation Project, Ministry of Agriculture, Coordinating Director
[office_head_des_en] =>
A Brief Note of Dr. M Asaduzzaman
Dr. M Asaduzzaman started his career as an Irrigation Engineer and ended as a Social Engineer. He retired from the position Of Executive Director, Barind Multipurpose Development Authority (BMDA) in 2007. Mr. Zaman graduated in Engineering with a major in Irrigation and Water Management in 1972. Also did a Bachelor Of Law (LLB) and Ph.D in Agricultural Science. He attended the Executive Education Course at Harvard Business School, USA on Strategic Perspective for Non-Profit Management. Dr. Zaman engaged in consultancy works with the World Bank, CIDA, DFID, and ADB.
He has published over fifty technical papers and books, mostly on groundwater, wells, irrigation management, and cost recovery. He is a member of many national and international professional organizations that including the following:-
Professional Membership
Lifetime Fellow Member, International Society for Development and Sustainability (ISDS), Japan
Advisor Abroad, Arab Healthy Water Association, Cairo-Egypt
Member of International Water History Association, IWHA, USA / Finland
Member of "Association of Groundwater Scientists & Engineers" U.S.A.
Member of “International Water Resource Association" U.S.A.
Member of the Board of Governors, Bangladesh Institute of Technology.
Members of the Bangladesh Agriculturist (Krishibid) Association, Dhaka
Executive member of Bangladesh Society for Agricultural Engineers
Member, Global Water Partnership
Member, Board of Directors of -Tropical Forest Conservation (Aranayak) Foundation.
He has successfully developed a special technology for Tubewell Design called "Inverted Well" where the very shah thickness of the aquifer is available. He, with his highly skilled professional team members, has proved how a desert-like area (Barind) could be converted into a granary in Bangladesh against many preconceived negative ideas for tubewell irrigation. He introduced an appropriate irrigation cost recovery system using “Pre-paid meters and Smart cards in irrigation wells. He has proved that irrigation projects can be operated on a semi-financed basis.
The Barind Model of Irrigation in Bangladesh is appreciated very much for its appropriateness and the Government has decided to replicate this model for the whole of the country gradually and recently, the Asian Development Bank (ADB) strategically looking to replicate this irrigation Model in Bangladesh and beyond like Nepal and India.
01.
Name (English)
Dr. M. Asaduzzaman
02.
Name (Bangla)
ড. এম. আসাদুজ্জামান
03.
Date of Birth
1st November 1949
04.
Address
Godagari, Rajshahi, Bangladesh.
05.
Religion
Islam
06.
Education
2007- Executive Education Strategic Management of Non-Profit Organization, Harvard Business School.
1998- Ph. D. in Agricultural Science, Pacific Western University California, USA
1983- Bachelor of Law, University of Rajshahi, Bangladesh
1972- Bachelor of Engineering in Irrigation and Water Management, Agricultural University, Bangladesh
07.
Other Training
Human Resource Management, Durham Technical Community College, Durham, NC, USA.
Computer Skills for Office Professional, Durham Technical Community College, Durham, NC, USA
Strategic Perspectives in Non-Profit Management, Harvard Business School, MA, USA.
Irrigation Management for Rice-Based Farming System, International Irrigation Management Institute (IIMI)l, Colombo, Sri Lanka.
Fundamentals and applications of Supervisory Control and Data acquisition (SCADA) in irrigation sector, Texas A&M, AgriLife Research, Texas, USA
Mathematical Modelling of Ground Water System, Institute of Flood Control and Drainage Research, Bangladesh University of Engineering & Technology in association with Bangladesh Agricultural Research Council, Dhaka, Bangladesh.
08.
Job Experience
2002-2006 – Executive Director, BMDA, Rajshahi.
1992-1996 – Executive Director, BMDA, Rajshahi.
North East Minor Irrigation Project, Ministry of Agriculture, Coordinating Director
জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (পরিচিতি নং-৬৩১৪), ১৯৯৫ সালে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন। তিনি প্রশাসন ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ঝিনাইদহ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর এবং জেলা প্রশাসক হিসেবে মেহেরপুরে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক থাকাকালীন তিনি এ জেলাকে বাল্যবিবাহ মুক্ত জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। এ সফলতার জন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাক্সেস টু ইনফরমেশন এর তরফ থেকে ২০১৬ সালে বিশ্ব নারী দিবসে নারীর জন্য পুরুষ বিভাগে লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত হন। এছাড়াও লিঙ্গ বৈষম্য প্রশমনে দৃষ্টান্তমূলক অবদানের জন্য কানাডিয়ান হাই কমিশনের পক্ষ থেকে তিনি রিকগনাইজেশন আওয়ার্ড প্রাপ্ত হন। জনাব শফিকুল ইসলাম জনপ্রশাসন, ভূমি, স্বাস্থ্য, প্রবাসী কল্যাণ, বানিজ্য, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়/অধীনস্থ বিভিন্ন সংস্থায় দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) এর মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
[office_head_des_en] =>
সংক্ষিপ্তপরিচিতি :
জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (পরিচিতি নং-৬৩১৪), ১৯৯৫ সালে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন। তিনি প্রশাসন ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ঝিনাইদহ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর এবং জেলা প্রশাসক হিসেবে মেহেরপুরে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক থাকাকালীন তিনি এ জেলাকে বাল্যবিবাহ মুক্ত জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। এ সফলতার জন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাক্সেস টু ইনফরমেশন এর তরফ থেকে ২০১৬ সালে বিশ্ব নারী দিবসে নারীর জন্য পুরুষ বিভাগে লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত হন। এছাড়াও লিঙ্গ বৈষম্য প্রশমনে দৃষ্টান্তমূলক অবদানের জন্য কানাডিয়ান হাই কমিশনের পক্ষ থেকে তিনি রিকগনাইজেশন আওয়ার্ড প্রাপ্ত হন। জনাব শফিকুল ইসলাম জনপ্রশাসন, ভূমি, স্বাস্থ্য, প্রবাসী কল্যাণ, বানিজ্য, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়/অধীনস্থ বিভিন্ন সংস্থায় দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) এর মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।